সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না শিশু সাদেকুলের

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না শিশু সাদেকুলের

সাদেকুল ইসলাম(৬)। পিতা হারা একমাত্র মায়ের ছেলে সে। শিশুকাল থেকে কিশোর বয়সে পা দেয়ার আগেই দু’চোখের আলো নিভে যেতে বসেছে তার। অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছে না। পারছে না, স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের সাথে হৈহুল্লর করে বেড়াতে। ছুটোছুটি করতে। এক নিদারুণ দিন কাটছে শিশু সাদেকুলের।

এক চোখে টিউমার হয়ে আলো নিভিয়ে গেছে আর অন্য চোখে এর প্রভাব পরে সেটারও আলো নিভিয়ে যাওয়ার অবস্থায়।এমতাবস্থায় চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ার চেন্নাইয়ে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন।
কিন্তু যার দিন এনে দিনে খেতে হয় সেই শিউলির পক্ষে ছেলে সাদেকুলের চোখের আলো ফিরিয়ে দেয়ার মত সামর্থ নেই। তাই নিরুপায় হয়ে ছেলে সাদেকুলের অন্ধ হয়ে যাবার দৃশ্য দেখতে হচ্ছে মাকে।

সাদেকুলের মা শিউলি বেগম জানান, রংপুরের মাহিগঞ্জ বড়দরগা ফতেহ এলকায় তাদের বাড়ি। আমি একসময় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চাকুরি করতাম। এখন সেই চাকুরিও নাই। অন্যের বাড়িতে কাজ করে দিন পার করছি । ছেলে সাদেকুল বিহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে পড়া লেখা করার সময় তার চোখে ব্যাথা অনুভব করতো এবং চোখের ভিতরে বেশ ফুলে যেতো। এরপর ২০১৭ সালে রংপুর দীপ আই কেয়ার হাসপাতালে, ডাক্তার আব্দুস সাত্তারের চিকিৎসা নেই। এরপর সেখানে পরিস্থিতি উন্নতি না হলে ডা: পরিমল চন্দ্র সরকার, ডা. রেজাউল আলম এর চিকিৎসা নেই। সেখানেও পরিস্থিতি উন্নতি না হলে সব শেষে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা: রাশেদুল মওলার কাছে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করাই। সেখানে পরিস্থিতি অবনতি হলে ডা: রাশেদুল মওলা ভারতের চেন্নাই যাবার পরামর্শ দেন। সেখানে চিকিৎসা করালে সাদেকুল সুস্থ্য হয়ে উঠবে। কিন্তু পিতা হারা সাদেকুলকে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করা অসম্ভব । আমি নিরুপায় হয়ে গেছি। সাদেকুলের একচোখ নষ্ট হয়ে যাবার পথে। আরেক চোখও সেই রোগ ধরেছে। আমি জীবিত থেকেও যেন মৃত। চোখের সামনেই ছেলে অন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মায়ের সামনে ছেলের অন্ধ হয়ে যাবার যে বেদনা আমি ছাড়া কেউ তা অনুভব করতে পারবে না।

তাই শিউলি বেগম ছেলে সাদেকুলের চোখের আলো ফেরাতে সমাজের বৃত্তবানদের সাহায্য চেয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: ০১৭৩১-৩৫৮৯৪৮ (বিকাশ)।


© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এনপিনিউজ৭১.কম
Developed BY Rafi It Solution