মঙ্গলবার, ১৫ Jun ২০২১, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

আর কতদিন বেতন ভাতা ছাড়াই সরকারী অফিসে শ্রম দিতে হবে শাহজানকে

আর কতদিন বেতন ভাতা ছাড়াই সরকারী অফিসে শ্রম দিতে হবে শাহজানকে

এনপিনিউজ৭১/স্টাফ রিপোর্টার/ রংপুর ২৩ জানুয়ারি ২০২০

কোন টেন্ডার বা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি না হওয়ায় দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বিনাবেতনে সরকারী অফিসে অফিস সহায়ক এবং নৈশ প্রহরীর কাজ করে আসছেন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ইসলামপুর আমবাড়ি গ্রামের মৃত একরামুল হকের পুত্র শাহাজান মিয়া। দীর্ঘদিন থেকে বেতন-ভাতা না পাওয়ায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তিনি।
জানা যায়, রংপুর জেলার পায়রাবন্দ এলাকার দমদমা এলাকায় কটন ইউনিটের জোন অফিস। সেখানে একরামুল নামের এক ব্যক্তি অফিস সহায়ক কাম নৈশ প্রহরীর দায়িত্বে পালন করত। ২০০৭ সালের ১১ নভেম্বর একরামূল মিয়া মৃত্যু বরণ করেন। একরামূল মিয়ার মৃত্যু পর দমদমা জোনের ইউনিট অফিসার আব্দুল মান্নান সাহেব মৌখিক অনুমতিতে একরামূল মিয়ার ছেলে শাহাজান মিয়াকে অফিস সহায়ক কাম নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব নিয়ে কোন এক আশায় শাহাজান মিয়া ২০০৭ সাল থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত বিনাবেতনে সরকারী তুলা অফিসে কাজ করে আসছেন।
আর কতদিন বেতন ছাড়াই সরকারী অফিসে শ্রম দিতে হবে শাহাজান মিয়াকে এই প্রশ্ন তার পরিবারের। অফিস সহায়ক কাম নৈশপ্রহরী হিসাবে দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর যাবৎ বিনাবেতনে চাকরি করে আসছেন। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে সে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। অথচ বিনাবেতনে চাকরি করলেও তার প্রচেষ্টায় ২০০৭ সাল থেকে দমদমা সরকারী তুলা অফিসের রক্ষণাবেক্ষনা ঠিক ঠাক মত করে আসছেন।
এক সময় দিনের বেলায় দমদমা এলাকায় ট্রাক থেকে মালামাল উঠা নামার কাজ করতেন। তা দিয়ে ৩ ছেলে , ১ মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে কোন রকম জীবন যাপন করে আসছিল শাহাজান মিয়া।
কিন্তু তাও বেশিদিন ভাগ্য সহায়ক হয়নি তার। মালামাল উঠা নামা করতে গিয়ে তার পায়ে বস্তা পড়ে পা ভেঙ্গে যাওয়ায় বর্তমানে ভারি কাজ করতে পারেন না তিনি। বেশির ভাগ সময় পরিবার পরিজন নিয়ে তিন বেলা পেট ভরে খেতেও পারেন তারা। শাহাজানের স্ত্রী মোনেয়ারা বেগম বলেন।
 এনপি৭১/আল আমীন সুমন/ মেহি


© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah