শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

আড়াই মাস পর নীলফামারী-খুলনা ট্রেন চলাচল উদ্বোধন সৈয়দপুরে জেলা রেলওয়ে পুলিশের উদ্যোগে সুরক্ষা অভিযান

আড়াই মাস পর নীলফামারী-খুলনা ট্রেন চলাচল উদ্বোধন সৈয়দপুরে জেলা রেলওয়ে পুলিশের উদ্যোগে সুরক্ষা অভিযান

শাহজাহান আলী মনন/ রংপুর ৩ জুন

দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর উত্তরের জেলা নীলফামারী থেকে দক্ষিনের জেলা খুলনার মধ্যে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩ জুন বুধবার সকালে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেসন থেকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে ওই পথে যাত্রীদের বিদায় জানানোর মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার সিদ্দিকী তাঞ্জিলুর রহমান। এ সময় স্টেশন মাস্টার শওকত আলী, সহকারী স্টেশন মাস্টার আলমগীর হোসেনসহ রেলওয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংবাদকর্র্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
চিলাহাটি-খুলনা রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন রুপসা সকাল সাড়ে ৮টায় খুলনার উদ্দেশ্যে ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন স্টেসন চিলাহাটী থেকে ছাড়ার মধ্য দিয়ে করোনা প্রাদুর্র্ভাবের কারণে লকডাউন পরবর্র্তী দ্বিতীয় দফার কার্যক্রম উদ্বোধন করা হলো। রাত ৮টায় একই স্টেসন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্র্রেনটি।

সকাল সাড়ে ৯টায় সৈয়দপুর স্টেসনে রুপসা ট্রেনটি এসে দাঁড়ায়। এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ে সৈয়দপুর জেলা পুলিশ সুপার সিদ্দিকী তানজিলুর রহমান উপস্থিত থেকে যাত্রীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং মাক্স বিহীন যাত্রীদের মাঝে মাক্স বিতরণ করেন।

এসময় তিনি বলেন, সামাজিক দুরত্ব এবং রেলের নিয়ম-নীতি বজায় রেখে ট্র্রেন দুটি চলাচল করবে। ইতিমধ্যে অনলাইনে টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। চিলাহাটি, ডোমার, নীলফামারী ও সৈয়দপুর স্টেসনে যাত্রীদের সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সব ধরনের প্রস্তুুতি নেয়া হয়েছে। ট্রেন দুটিতে খাবার গাড়ী সংযোগ থাকলেও সেখানে কোন খাবার থাকবে না। মাক্স ও টিকিট ছাড়া কোন যাত্রী ট্রেনে উঠতে পারবে না।

এছাড়া বিভিন্ন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা হাত ধোয়ার স্থান স্প্র্রে সহ বিভিন্ন বিষয় তদারকি করেন এবং ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। সরকারি নির্দেশনার প্রতি সকলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, প্রতি ৩ সিটে ২ জন এবং ২ সিটে একজন করে যাত্রী পরিবহন করতে স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে। এ সময় যাত্রীদের তিনি সচেতন হবার আহবান ও মাস্ক ব্যবহারের অনুরোধ জানান।
আরমান নামের এক যাত্রী বলেন পারিবারিক বিশেষ প্রয়োজনে খুলনা যেতে হবে বলে ৫ দিন আগেই অনলাইনে টিকিট করেছি। ট্রেনের চিরাচেনা পরিবেশের পরিবর্তে একেবারে ভিন্ন দৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। কাউন্টারে যেমন টিকিট কাটার ঝামেলা নেই, তেমনি নেই কোন ভিড়।

সহকারী স্টেশন মাস্টার আলমগীর হোসেন বলেন, সামাজিক দুরত্ব বজায় ওই স্টেশনের জন্য যতগুলো টিকিট বরাদ্ধ রয়েছে তার থেকে ২৫ টি অবিক্রিত রাখা হয়েছে। স্টেশন মাস্টার শওকত আলী বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা কওে স্টেশনকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ জন্য স্টেশনসহ প্রতিটি বগিতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এনপি৭১/ নীলফামারী


© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah