মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩২ অপরাহ্ন

ঈদের আগমনে জমজমাট রংপুর

ঈদের আগমনে জমজমাট রংপুর

সামিয়া সালমা,রংপুরঃ

মুসলমানদের সবচেয়ে খুশির দুইটি উৎসবের মধ্যে ঈদুল-উল-ফিতর একটি। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ঘনিয়ে আসে ঈদের দিন,ঈদ একমাস পরে আসলেও ঈদের আমেজ কিন্তু রোজা শুরুর দু একদিনের মধ্যেই মুসলমানদের ঘরে আসে।

ঈদের আনন্দ পালনের অন্যতম মাধ্যম ঈদের দিনে নতুন পোষাক পরিধান করা,ঈদ কে ঘিরে রংপুর নগরীতে শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা, রংপুর নগরীর সুপার মার্কেট,জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট,সালেক মার্কেট,জাহাজ কোম্পানী,হনুমানতলা,পায়রা চত্তর,গুদরী বাজার ইত্যাদি বাজার ও মার্কেটে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

রংপুরের মানুষ তাদের ঈদের কেনাকাটার জন্য সকাল থেকে রাত অব্ধি এসব মার্কেটে ভির জমাচ্ছে,তবে তীব্র গরমের হাত থেকে বাঁচতে ক্রেতাদের ভিড় রাতেই বেশি লক্ষ্য করা যায়। বাহারী রঙ্গের বৈচিত্রময় পোশাকে দোকানগুলো সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একেক পোষাকের একেক নাম দেওয়া হয়েছে। ক্রেতাদের বেশীরভাগ কিশোর-কিশোরী,তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ।

নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, শাড়ি, থ্রিপিস, পাঞ্জাবিসহ নানান ধরনের পোশাক। এছাড়াও রয়েছে ছোটদের বাহারী রংঙ্গের পোষাক। দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি ভারতীয় পোশাকে ছেয়ে গেছে মার্কেট গুলো। রাজিব গান্ধি মার্কেট বলে খ্যাত স্টেশনে ভারতীয় পোষাক চোখে পড়ার মত। যার বেশির ভাগেই শাড়ি। নানান নামে বৈচিত্রপূর্ণ এসকল পোশাক কিনতে উদগ্রীব তরুণ-তরুণীরা।

এবারের ঈদে শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ২ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে। থ্রি-পিসের দাম এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও ছেলেদের পোশাক প্রকার ভেদে ৭৫০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। গতবারের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ক্রেতারা জানান।দোকানদারেরা তাদের ইচ্ছেমত দাম হাকাচ্ছেন। জামাকাপড় কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রংপুরের মার্কেটগুলোর মধ্যে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, জেলা পরিষদ কমিউনিটি মার্কেট, জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্স, ছালেক মার্কেট, গোল্ডেন টাওয়ার, সিটি প্লাজা, মতি প্লাজাসহ ছোট বড় মার্কেটগুলোতে ক্রেতা সাধারণের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে । ক্রেতারা অনেকেই সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটা করতে না পেরে হতাশ হয়েও ঘরে ফিরছে।

এ বিষয়ে দোকান মালিকদের সাথে কথা বলা হলে তারা বলেন,সারাবছর মিলে দুই ঈদেই আমাদের যা রোজকার হয় তার মধ্যে দোকান ভারা,বিদ্যুৎবিল,এবং ঈদের জন্য বারতি কর্মচারী রাখতে হয় তাদের বেতন দিতে হয় এমতাবস্থায় আমাদের মুনাফার দিকে বেশি নজর দিতে হচ্ছে,অন্য এক ব্যাবসায়ী জানান ঈদের বাজারে নানা কারণে সামান্য মূল্য প্রতিবারেই বেড়ে যায়। আমরা যে দামে পোশাক কিনে থাকি তার চেয়ে সামান্য কিছু লাভ ধরেই বিক্রি করি।

কেনাকাটা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া  হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মার্কেটগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

এনপিনিউজ/আশিক


© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এনপিনিউজ৭১.কম
Developed BY Rafi It Solution