রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবার পরীক্ষা দিতে পারছে না সন্তানরা

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবার পরীক্ষা দিতে পারছে না সন্তানরা

এনপিনিউজ৭১/স্টাপ রিপোর্টার/রংপুর ১০ ডিসেম্বর ২০১৯
রংপুর মহানগরীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর বাসা বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। শ্লীলতাহানীসহ নগদ টাকা ও কয়েক লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট হয়েছে। কেড়ে নেয়া হয়েছে স্কুল পড়ুয়া দুই শিশু শিক্ষার্থীর বই-খাতাসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রাদি।

মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন নগরীর মুলাটোল পাকার মাথা এলাকার চশমা ব্যবসায়ী মশিউর রহমানের পরিবার। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সংবাদ সম্মেলনে মশিউর রহমানের স্ত্রী তাজনিন নাহার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ৯ ডিসেম্বর সোমবার হামলাকারীরা বাসা বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা চালায়।

এসময় তারা ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করে। শুধু তাই নয় বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানীর করে। ছেলে-মেয়ের বইখাতাসহ ঘরের সব কিছু তারা নিয়ে যায়। একারণে তার ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়–য়া মেয়ে মার্জিয়া তাবাসসুম ও প্লে পড়–য়া তানবীর মাহাতাব গত দুই কোন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। বাকি পরীক্ষাগুলোতে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। হামলাকারীরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে অমানবিক প্রক্রিয়ার এধরণের উচ্ছেদ চালিয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছে দাবি করে মশিউর রহমান বলেন, আদালতে মামলা চলমান থাকার পরও প্রতিপক্ষের লোকজনেরা এধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তার নগদ টাকা, বাসার বাহিরের ও ঘরের দামী আসবাবপত্রসহ প্রায় সাড়ে নয় লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এসময় নিজের জমি থেকে উচ্ছেদের শিকার এই পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ হামলাকারীদের ব্যাপারে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারী মশিউর রহমান, তার স্ত্রী তাজনিন নাহার, মেয়ে মার্জিয়া তাবাসসুম, ছোট ছেলে তানবীর মাহাতাবসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এনপি৭১/মেহি

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah