মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

শাহজাহান আলী মনন/ নীলফামারী রংপুর ২৬ জুন

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ও ভারী বষর্ণের কারণে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।  ২৬ জুন শুক্রবার দুপুর ১২টায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নিচু এলাকাগুলোতে পানি ঢুকে পড়েছে। সকাল ৬টায় ওই পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।

তিস্তা ব্যারাজ কন্ট্রোল রুম সুত্রে জানা গেছে, ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পানির চাপে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও শুক্রবার সকাল ৬ টায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এতে জেলার তিস্তা তীরবর্তী বেশ কিছু বসত বাড়ির লোকজন পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

তিস্তা তীরবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিস্তা নদীর পানি লোকালেয় ঢুকছে। এতে বেশ কিছু পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া শাখার নিবার্হী প্রকৌশলী রবিউল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তিস্তা নদী পানি বৃদ্ধি নিয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এ দিকে জেলার নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা সদরের তেলিপাড়ায় ধাইজান নদীর ভাঙ্গনে কাঁচা রাস্তাসহ প্রায় ১৫০ ফুট নদীগর্ভে  বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে ওই গ্রামের ৩০টি বাড়ি। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাগন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে করেছেন।

ডিমলা ও  জলঢাকা উপজেলার প্রায় ৩৫ টি গ্রাম বন্যার পানি কবলিত হয়ে পড়েছে। বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চলের জমিগুলোর ভুট্টা, বাদামসহ অন্যান্য ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় নদীর তীরে ভাঙ্গনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানিবন্দি অসহায় পরিবারগুলো কোন রকম ত্রাণ সহায়তা না পেয়ে গত প্রায় এক সপ্তাহ যাবত মানবেতর জীবন যাপন করছে।


© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah