বুধবার, ২৮ Jul ২০২১, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীর কিশারীগঞ্জে ঘরে ঘরে ল্যাম্পিং স্কীন  ভাইরাস আক্রান্ত গবাদী পশু

নীলফামারীর কিশারীগঞ্জে ঘরে ঘরে ল্যাম্পিং স্কীন  ভাইরাস আক্রান্ত গবাদী পশু

শাহজাহান আলী মনন /নীলফামারী ১৫ জুন

নীলফামারী জেলার কিশারীগঞ্জ উপজেলায় ঘরে ঘরে ল্যাম্পিং স্কীন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে গবাদী পশু । ভাইরাসটি মরণব্যাধী না হলেও খামারীরা উদ্বিগ হয়ে পড়েছে।
প্রায় দু’ সপ্তাহ আগে ল্যাম্পিং স্কীন ভাইরাসটি কিশারীগঞ্জে দেখা দেয়। এখন গোটা উপজেলায় তা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘরে ঘরে সংক্রমন দেখা দিচ্ছে। এই ভাইরাসটির উপসর্গ হলো গবাদী পশুর চামড়ায় লাল ও গুটি গুটি হওয়া, পাঁ ফুলে যাওয়া, গলায় ব্যাথা হওয়া ও ফুলে যাওয়া এবং জ্বর হওয়া। যা কিনা অনেকটা করোনা ভাইরাসের মতো উপসর্গ। ভাইরাসটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।
গবাদী পশু এই ভাইরাসের কারণে দুধ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। পশুর ওজন হ্রাস ও ক্রমশঃ দুর্বল হচ্ছে। আর চামড়ার গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কিশারীগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মফিজুল ইসলাম জানান, ‘ভাইরাসটির মেয়াদ ৭ থেকে ১০ দিন। এর কোন প্রতিষেধক বের হয়নি। তবে পক্স’র ভ্যাকসিন ‘গোট পক্স ব্যাকলি’ প্রয়োগ করা যায় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে প্যারাসিটামল খাওয়ানো যায়। তিনি আরও বলেন, ‘এই ভাইরাসে ভয়ের কারণ নেই। এটি মরণব্যাধী নয়। মত্যুর হার শতকরা ০.৫ থেকে ১ভাগ। আমাদের উপজেলায় কোন পবাদী পশুর মত্যু হয়নি। খামারীদের আতংকিত না হয়ে ধর্যধারণ করতে হবে। আর হাতুরে চিকিৎসকদের কবলে পরে অর্থ অপচয় করার প্রয়াজন নেই। তবে খামার মশা-মাছি মুক্ত ও পরিছন রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।’
কিশারীগঞ্জ সদর ইউপির মুন্সিপাড়া গ্রামের খামারী মমতাজ উদ্দিন পালানু জানান, আমার ১টি গরুরএই ভাইরাসটি হয়েছিল, এখন ভাইরাসমুক্ত। তবে এখন আমার গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। পুটিমারী ইউপির কালিকাপুর গ্রামের আব্দুস ছামাদ জানান, আমার ৩টি গরুর এই ভাইরাসটি হয়েছে।
এনপি৭১


© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah