বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৪:২৯ অপরাহ্ন

বদরগঞ্জে খিয়ারপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়োগকে কেন্দ্র বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর

বদরগঞ্জে খিয়ারপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়োগকে কেন্দ্র বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর

নিজেস্ব প্রতিবেদক/ রংপুর / ৯ জুন

করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে সভাপতি ও দাতা সদস্যকে বাদ দিয়ে সিএইচসিপি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার যোগসাজসে অর্থের বিনিময়ে বদরগঞ্জ উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের শালবাড়ির হাট খিয়ারপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের এনএইচভি মাল্টি হেল্থ ভোলানটিয়ার পদে নিয়োগ দেয়াকে কেন্দ্র করে ক্লিনিক ও বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান উপজেলা স্বাথ্য কর্মকর্তা আশাদ আলী।
সরেজমিনে গিয়ে ওই এলাকার লোকজন জানান, সরকারীভাবে অন্যান্য কমিউনিটি ক্লিনিকের ন্যায় গোপীনাথপুর ইউনিয়নের শালবাড়িরহাট খিয়ারপাড়া কমিউনিটি এনএইচভি তথা মাল্টি হেল্থ ভোলানটিয়ার পদে ৭ জনকে নিয়োগ দেয়ার জন্য ক্লিনিক সভাপতি ও দাতা সদস্যদের নিয়ে একটি নিয়োগ কমিটি হওয়ার কথা। তারাই পরীক্ষা শেষে প্রার্থীদের তালিকা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে দিবে। কিন্তু একটি কু-চক্রি মহল ক্লিনিক সভাপতি সিরাজুল মেম্বার ও দাতা সদস্য মোসলেম, আলা বখসসহ অন্যান্য সদস্যদের বাদ দিয়ে সিএইচসিপি সাইফুলের পরামর্শে গোপনে একটি নিয়োগ কমিটি করে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। এই বিষয়টি দাতা সদস্যরা ও সভাপতি জানতে পেরে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে ক্লিনিকে যান। ক্লিনিকে কর্তব্যরত সাইফুলের কাছে তারা কোন সদুত্তর না পেয়ে ফিরে এসে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানান। তারা চলে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে ওই কুচক্রি মহলটি বলে সভাপতি ও দাতা সদস্যরা মিলে ক্লিনিক এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করেছে। মিথ্যা বলার কারনেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দাতা সদস্য মোসলেম ও আলা বখসসহ অন্যরা বলেন, যারা নিয়োগের জন্য টাকা নিয়েছেন তারাসহ সাইফুলের হুকুমে মনজুরুল, হাসান আলী, আব্দুর রশিদ ক্লিনিক এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংছুর করেছে। এখন সামাল দিতে না পেরে নিজের দোষ ঢাকতে অন্যের উপর দোষ দিচ্ছেন।

এ ব্যপারে সিএইচসিপি সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এবিষয়ে সভাপতি সিরাজুল মেম্বার জানান, সিএইচসিপির মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে তারাই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং ক্লিনিক ভাংচুর করে অন্যের প্রতি দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। যারা ভাংচুর করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের কাছে জানিয়েছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আশাদ আলী অর্থ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, নিময় হলো সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বার তথা সভাপতি ও জমিদাতারা মিলেই নিয়োগ কমিটি হবে এবং তারাই নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে সুপারিশ করবেন। কিন্ত আমি তো সকল কমিউনিটি ক্লিনিকের সভাপতি ও দাতা সদস্যদের চিনিনা। ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা তাদেরকে চিনেন। ওই ক্লিনিকে কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এনপি৭১

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah