রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা : ওবায়দুল কাদের

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা : ওবায়দুল কাদের

ফাইল ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা ২২ আগস্ট

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে। বিএনপির নেতারা দিবালোকের মতো সত্যকে বিকৃত করে বলছে, ২১ আগস্ট নাকি দুর্ঘটনা। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় রাষ্ট্রযন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যা ছিল ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা। ২১ আগস্টে টার্গেট ছিল দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

শনিবার (২২ আগস্ট) সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবন থেকে রাজশাহী সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সকালে এ মন্তব‌্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সেদিন আল্লাহর রহমতে শেখ হাসিনা বেঁচে যান। হতে পারে, হাওয়া ভবনের ছক অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারেনি বলেই তারা দুর্ঘটনা বলছেন। খুনিদের নিখুঁত হত্যা-পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় তারা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে দুর্ঘটনা মনে করতেই পারে। তদন্তে বাধা দেওয়া, জজ মিয়া নাটক সাজানো, আলামত নষ্ট করাসহ পদে পদে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সংশ্লিষ্টতার অকাট্য প্রমাণ জাতির কাছে আজ স্পষ্ট।

মন্ত্রী বলেন, মুফতি হান্নানসহ অন্যদের বক্তব্য এবং দালিলিক প্রমাণে বেরিয়ে এসেছে, কারা এর পেছনে মদদ দিয়েছে, কারা বৈঠক করেছে, ষড়যন্ত্র করেছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব সবই জানত। তারা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে চেয়েছিল।

করোনাভাইরাস শিগগিরই চলে যাবে বা চলে যাচ্ছে, এমন মনে করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলেও মন্তব্য কনে তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নির্দিষ্ট পর্যায়ে আছে। বাড়ছে না, আবার কমছেও না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থা ভালো হলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, নিউজিল্যান্ডসহ অনেক দেশে দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়েছে। যেকোনো সময়ে পরিস্থিতির অবনতি কিংবা দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আমাদের অভ্যাসের পরিবর্তন ঘটিয়ে তা স্বাস্থ্যবান্ধব করতে হবে।

করোনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ রোধে প্রতিরোধ ব্যবস্থায় অধিক মনোযোগ দেওয়াই সর্বোত্তম কৌশল। সরকার করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়। গাড়ির অর্ধেক আসন খালি রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে ভাড়া সমম্বয় করা হয়। শুরুতে কিছু পরিবহন প্রতিশ্রুতি মেনে চললেও এখন অনেকেই মানছেন না। অর্ধেক আসন খালি না রাখলে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানলে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া কেন দেবে?

বিআরটিএ, গণপরিবহনের মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুপারিশ মন্ত্রণালয় হয়ে কেবিনেট ডিভিশনে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।খবর সময়ের আলো

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah