শনিবার, ১৯ Jun ২০২১, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

রংপুর ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের একাউন্ট থেকে ২৭ লক্ষ টাকার লোপাটের ঘটনায় তোলপাড়

রংপুর ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের একাউন্ট থেকে ২৭ লক্ষ টাকার লোপাটের ঘটনায় তোলপাড়

এনপিনিউজ৭১/স্টাফ রিপোর্টার/১৪মার্চ  

  • রংপুরে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের একাউন্ট থেকে ২৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫’শ টাকা লোপাটের ঘটনায় তোলপাড়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনারের কাছে প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে রংপুর সিটি স্ক্যান এন্ড ডায়াগোষ্টিক সেন্টার লিমিটেডের অর্থ পরিচালক আবু সাইদ নামের এক ভূক্তভোগী। এদিকে ডাক্তার মিজান ও ব্যাংক মানেজার নিয়ামুল ওয়াকিলের বিরুদ্ধে এই অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠে।
    অভিযোগে জানাগেছে রংপুর সিটি স্ক্যান এম আর আই এন্ড ডায়াগনোস্টিক লিমিটেডের নামে ৮জুলাই ২০১৭ সালে ০১০৯১৩১০০০০০৬৬১ নং সঞ্চয়ী হিসাব খোলা হয়। লিমিটেড কোম্পানীর নামে সঞ্চয়ি হিসাব নংম্বর খোলার সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ রেজুলেশনের কপি এবং জয়েন ষ্টক কোম্পানীর রেজিষ্ট্রিকৃত নিবন্ধন ও কোন প্রকার কাগজ ছাড়াই হিসাবেটি খোলায় ব্যাংক নীতিমালার বর্হিভূত বলে অভিযোগ বলা হয়।
    ৩০ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে রংপুর সিটি স্ক্যান এমআরআই এন্ড ডায়াগনোষ্টিক লিমিটেডের বোর্ড সভার সিদ্বান্ত মোতাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মর্তুজা হানিফকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহিদার রহমানকে অর্থ পরিচালকের যৌথ স্বাক্ষরে হিসাবটি পরিচালনার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়।
    রংপুর সিটি স্ক্যান এমআরআই এন্ড ডায়াগনোষ্টিক লিমিটেডের নামে চলতি হিসাব না খুলে সঞ্চয়ী হিসাব খোলা বিষয়টি বিধি সম্মত না হওয়া অর্থ পরিচালক ১০ এপ্রিল ২০১৮ সালে হিসাবটির লেনদেন বন্ধ রাখার জন্য ব্যাংক রংপুর ফাষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নিয়ামুল ওয়াকিলকে লিখিত অবহিত করা হয়।
    পরবর্তীতে ৯ মে ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রতিষ্ঠানের প্যাডে একটি দরখাস্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে ১৯ পাতার একটি কাগজপত্র দাখিল করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয় হিসাবটি পরিচালনার জন্য রেজুলেশনের সত্যায়িত কপি দাখিল পূর্বক লেনদেন চালু করার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়।
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মর্তুজা হানিফ বলেন, আমি হজ্বে থাকাকালীন সময় রংপুর সিটি স্ক্যানএমআরআই এন্ড ডায়গোষ্টিক লিমিটেডের ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান ব্যাংক ম্যানেজার নিয়ামুল ওয়াকিল সাহেবের সাথে যোগসাজস করে ভূয়া কাগজপত্র তৈরী করেন। কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ২৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫’শ টাকা টেন্সাসফার করে হাতিয়ে নেন। ব্যাংকের লেনদেনের বিষয়ে ব্যাংক ম্যানেজার কোন রকম অবহিত করা ছাড়াই ডাক্তার মিজানের সাথে যোগ সাজস করে লেনদেন করে।
    পরবর্তীতে ব্যাংক ম্যানেজার নিয়ামুল ওয়াকিল হিসাবটি বন্ধ করে দিয়ে ডাক্তার মিজানসহ টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ উঠে।
    রংপুর ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শাখার সে সময় দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার নিয়ামুল ওয়াকিল সাহেবের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমাকে মোবাইল ফোনে ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মর্তুজা হানিফ সাহেব টাকা দেয়ার জন্য অনুরোধ করায় আমি টাকা টেনাসফার করি এবং হিসাবটি বন্ধ করে দেই।
    লিমিটেড কোম্পানীর নামে রেজুলেশন ছাড়াই হিসাব খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, আব্দুল আউয়াল নামের এক ম্যানেজার থাকা কালীন সময়ে হিসাবটি খোলা হয়েছে।


© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah