বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন

রংপুর সমবায় ইন্সটিউটে বাবুর্চি কর্তৃক আয়াকে মারপিট-শ্লীলতাহানি: হাসপাতালে ভর্তি

রংপুর সমবায় ইন্সটিউটে বাবুর্চি কর্তৃক আয়াকে মারপিট-শ্লীলতাহানি: হাসপাতালে ভর্তি

এনপিনিউজ৭১/সুমন/২৭ফেব্রুয়ারী২০২০ রংপুর 

রংপুর আঞ্চলিক সমবায় ইন্সটিটিউট হোস্টেলে সহকারি কুকের বিরুদ্ধে আয়াকে বেধড়ক মারপিট ও শ্লীললতাহারি করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রংপুর আঞ্চলিক সমবায় ইনস্টি্িটউটের হোস্টেল সুপার রেশমা আখতার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে ইনস্টিটিউটের ভেতরের হোস্টেলের ডাইনিং রুমে সহকারী কুক আসাদুজ্জামান আয়া মোমেনা বেগমকে মারপিট করে। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় মোমেনা মেঝের মধ্যে লুটিয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সেখানে অফিসের কর্মকর্তারা এসে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা জেনেছি বাচ্চার গায়ে পানি ছিটানোর জেরে এই ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে আয়া মোমেনা জানান, আমার বাচ্চা নাকি তার গায়ে পানি ছিটিয়েছে। একারণে সে আমার ওপর হামলা চালিয়ে আমাকে লাথি মারে এবং পিটায়। আমি তার হাত পা ধরেও রক্ষা পায় নি। এক পর্যায়ে আমার গায়ে লাথি মারতে মারতে আমাকে মেঝেতে ফেলে দিয়ে আমার শ্লীললতাহারি চেস্টা করে। আমি চিৎকার করলে অন্যরা এসে আমাকে উদ্ধার করে। মোমেনা জানান, এর আগেও সে আমার গায়ে একাধিকবার হাত দিয়েছে।

মোমেনা সিগারেট কোম্পানী এলাকার দেলোয়ারের স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে এই হোস্টেলে আয়ার কাজ করেন তিনি।

অভিযুক্ত সহকারী কুক আসাদুযজ্জামান আসাদ জানান, মোমেনা আমার গায়ে প্রস্তাব ছিটিয়ে দেয়ার কারণে আমি তাকে মেরেছি। সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে সব সময়।

এদিকে স্থাণীয় বউক আহদা আলী, আব্দুল করিম ও বিপ্লব, সোলায়মান মিযা জানিয়েছেন, প্রায় এখানে মেয়েদের চিত্কার-চেঁচামেচি শোনা যায়। তাদের ধারণা কোন কু প্রস্তাব দেয়ার জের ধরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এর আগেও এ ধরনের কয়েকদফা বিচার হয়েছে। কিন্তু অধ্যক্ষ সেটিকে বার বার ধামাচাপা দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দরকার।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইনন্সিটিউটের প্রশিক্ষক ছাবেদ আলী জানান, আমি অফিসে কাজ করছিলাম। ঘটনা শুনে গিয়ে মেঝেতে রক্তাত্ব অবস্থায় পড়ে থাকা মোমেনাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। আসাদুজ্জামান তাকে কি কারণে মেরেছে বিষয়টি আমার জানা নেই।

এ ব্যপারে ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ উপ-নিবন্ধক শাহীনুর ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি শোনার পরপরই মোমেনাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। তার চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। কি কারণে মোমেনাকে আসাদ মারলো তা আমরা তদন্ত করছি। বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ##

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah