মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

সৈয়দপুরে জুয়া খেলা বাধা দেয়ায় জুয়াড়ির হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত-৩

সৈয়দপুরে জুয়া খেলা বাধা দেয়ায় জুয়াড়ির হামলায় নারী ও শিশুসহ আহত-৩

শাহজাহান আলী মনন/ নীলফামারী ২৫ জুন

নীলফামারীর সৈয়দপরে জুয়া খেলায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে জুয়াড়িদের হামলায় নারীও শিশুসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনটি ঘটেছে শহরের চামড়াগুদাম উর্দুভাষী ক্যাম্পে। ভূক্তভোগী ওই নারী মঙ্গলবার রাতে সৈয়দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চামড়াগুদাম ক্যাম্পের মৃত আলতাফের ছেলে বাদশা, মৃত নাঈমের ছেলে আমিরুল ইসলাম (মংলা) ও তাঁর ছেলে সাগর জুয়া খেলে এবং জুয়ার আসর থেকে টাকা তোলে যাকে লালবাজ বলে।তারা দীর্ঘ দিন ধরে ক্যাম্পের পিছনে জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছে। করোনা কালেও তারা এ ব্যবসা বন্ধ করেননি। ঘটনার দিন গত ২১ জুন বিকালে জুয়ার আসর চলছিল। এসময় ক্যাম্পের বাসিন্দা খালিদ ইকবাল জুয়া খেলা বন্ধ করে দেন।
এ ঘটনার জের ধরে পরের দিন ২২ জুন সন্ধ্যায় বাদশা খালিদ ইকবালকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করে। এ সময় খালিদ ইকবালের ছেলে রহমত ও আলতামাস বাদশার মা হাদিসা বেগমের  কাছে গালাগালির কারণ জানতে চায়। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে বাদশা, আমিরুল ইসলাম (মংলা), সাগর, হাদিসা বেগমসহ তাদের পরিবারের অজ্ঞাত নামা আরও ১০/১৩ স্বজন এসে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে রহমত ও আলতামাসকে এলোপাথাড়ি মার ডাং করে রক্তাক্ত করে।নএ সংবাদ শুনে খালিদ ইকবালের বোন নাহিদ পারভীন এগিয়ে আসলে বাদশা তাঁর হাতে থাকা তারযুক্ত বাঁশের লাঠি দিয়ে নাহিদের মুখে আঘাত করিলে তার নাক ফেটে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায় ।এসময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে ।
আহত ৩ জন সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ও চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেন। ঘটনার সময় উল্লেখিত ব্যক্তিরা হুমকি দেয় যে এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে পরিনাম ভাল হবে না। বিবাদীগন এলাকার ভয়ংকর লোক।তারা যেকোন সময় পরিবারটির ক্ষতি করবে বলে হুমকি দিয়েছেন। তাদের ভয়ে অসহায় পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবী করছেন।
এব্যাপারে নাহিদ পারভীন ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে  থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।


© All rights reserved © 2020-21 npnews71.com
Developed BY Akm Sumon Miah