সোমবার, ১৫ Jul ২০২৪, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
এবারও রংপুরে সর্বোচ্চ করদাতা হলো দুইভাই তৌহিদ-তানবীর জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তফার সাথে মহানগর জাতীয় হকার্স শ্রমিক পার্টির সৌজন্য স্বাক্ষাত জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তফার সাথে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সৌজন্য স্বাক্ষাত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিঠাপুকুর (রংপুর-৫) আসনে জাপার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন আনিছুর রহমান আনিস রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি রাজু সাধারণ সম্পাদক মাজহার নির্বাচিত অসত্য সংবাদ অপসারণের দাবি জাতীয় পার্টির শারর্দীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে রংপুর সিটি কর্পোরেশনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে অস্ত্র ও মাদকসহ মেরিল সুমন, ব্ল্যাক রুবেলসহ পাঁচ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার। প্রধানমন্ত্রী তনয়া সায়মা ওয়াজেদের ভিজিটিং কার্ড চেয়ে নিয়েছেন মার্কিট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রী। লালমনিরহাটে এক সাথে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক গৃহবধূ।
দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন

দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন

নিউজ ডেক্সঃ
রংপুর সদর উপজেলার এক ইউপি চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে (আইসিটি) করা মামলায় মানবকণ্ঠের রংপুর প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মখদূমী, দেশ রূপান্তরের রংপুর প্রতিনিধি মামুন রশীদ ও ঢাকা পোস্টের নীলফামারী প্রতিনিধি শরিফুল ইসলামকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক ড. মো. আব্দুল মজিদ ওই তিন সাংবাদিকের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, ২০১৯ সালে ভিজিএফের চাল অন্যত্র সরিয়ে রাখার অভিযোগে সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানাকে র‍্যাব-১৩ অভিযান চালিয়ে আটক করে। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার কিছুদিন পর ওই মামলায় জামিন পান চেয়ারম্যান। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এই চেয়ারম্যান ভিজিডি কার্ড নিয়ে আত্মীয়করণ করে প্রকৃত হতদরিদ্র ও দুস্থদের বঞ্চিত করেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

সরকারি সুবিধা বঞ্চিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় চেয়ারম্যান ক্ষুব্ধ হয়ে তার প্রভাবশালী এক স্বজনকে দিয়ে গত বছরের ১৬ জুন ওই তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করান। ওই মামলায় গত ১৬ জুলাই তিন সাংবাদিকের নামে আদালত সমন জারি করেন। অথচ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম-দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি।

কিন্তু ওই ইউপি চেয়ারম্যানের স্বজন অর্থাৎ মামলার বাদীর অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদে ভুল তথ্য ও ছবি প্রকাশ করে সম্মানহানি করা হয়েছে। এ কারণে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনি মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার ওই মামলায় দুইপক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক তিন সাংবাদিককে জামিন প্রদান করেন। এ সময় আদালতে বাদী ও বিবাদীপক্ষ উভয়ই উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ ও অ্যাডভোকেট ফিরোজ কবীর চৌধুরী গুঞ্জন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2023
Developed BY Rafi IT