বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১৪ অপরাহ্ন

খবরের শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তনয়া সায়মা ওয়াজেদের ভিজিটিং কার্ড চেয়ে নিয়েছেন মার্কিট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রী। লালমনিরহাটে এক সাথে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক গৃহবধূ। পীরগাছায় হাসুয়ার কোপে খালুর মাথা বিচ্ছিন্ন করল ভাগনে! প্রথমে মোবাইলে প্রেম, পালিয়ে এসে দেখেন প্রেমিক দৃষ্টিহীন,অতপর রংপুরে তাজহাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৩ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার রংপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকারের অভিযান ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দাম কমলে ডিম সেদ্ধ করে ফ্রিজে রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী যে দলে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিলেন হিরো আলম সংবাদ সম্মেলনে মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালো রসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা রংপুর মহানগর জাতীয় যুব সংহতির বিক্ষোভ মিছিল
ধর্ষিতাকে বিয়ের শর্তে জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই আব্দুল জলিল

ধর্ষিতাকে বিয়ের শর্তে জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই আব্দুল জলিল

নিউজ ডেক্সঃ

ধর্ষিতাকে বিয়ের শর্তে জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল।

বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এ আদেশ দেন।

পরে জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনে সাত লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেনমোহরে ওই নারীকে বিয়ে করেন পুলিশের এসআই আব্দুল জলিল।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজার রহমান আজু বলেন, বাদী-আসামির বিয়ের কাবিন দাখিল করার শর্তে আদালত তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২৩ জানুয়ারি ওই মামলায় এসআই আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে তিনি উচ্চ আদালতের রায়ে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে ২০ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় ভাসুরের নামে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আব্দুল জলিল ওই মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সুযোগে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ছিল তার। সে সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন পুলিশ সদস্য জলিল। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী ওই নারী (৪৩) বলেন, এতদিন আব্দুল জলিলের কাছে আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি পাইনি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতে মামলা করার পর আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।

মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মেহেদী হাসান মিলন বলেন, বিয়ের শর্তে আদালত এসআই জলিলকে জামিন দিলে সন্ধ্যায় তাদের বিয়ে পড়ানো হয়।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

© ২০২০-২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এনপিনিউজ৭১.কম
Developed BY Rafi It Solution