সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ১১:৫৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
এবারও রংপুরে সর্বোচ্চ করদাতা হলো দুইভাই তৌহিদ-তানবীর জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তফার সাথে মহানগর জাতীয় হকার্স শ্রমিক পার্টির সৌজন্য স্বাক্ষাত জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তফার সাথে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সৌজন্য স্বাক্ষাত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিঠাপুকুর (রংপুর-৫) আসনে জাপার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন আনিছুর রহমান আনিস রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি রাজু সাধারণ সম্পাদক মাজহার নির্বাচিত অসত্য সংবাদ অপসারণের দাবি জাতীয় পার্টির শারর্দীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে রংপুর সিটি কর্পোরেশনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে অস্ত্র ও মাদকসহ মেরিল সুমন, ব্ল্যাক রুবেলসহ পাঁচ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার। প্রধানমন্ত্রী তনয়া সায়মা ওয়াজেদের ভিজিটিং কার্ড চেয়ে নিয়েছেন মার্কিট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রী। লালমনিরহাটে এক সাথে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক গৃহবধূ।
কারাগারে অন্ধকারে প্রদীপ, ভেগে গেলেন স্ত্রী চুমকি!

কারাগারে অন্ধকারে প্রদীপ, ভেগে গেলেন স্ত্রী চুমকি!

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবন পার করছেন। অন্যদিকে দুর্নীতির মূল সহযোগী তার স্ত্রী চুমকি স্বামীকে ছেড়ে পালিয়েছেন। প্রদীপের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর থেকে কোনো হদিস মেলেনি চুমকির। প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি চুমকি। এ মামলায় দ্বিতীয় আসামি প্রদীপ। ঘটনার পরপরই আত্মগোপনে চলে যান চুমকি।

স্ত্রী-সন্তানের জন্য অপকর্ম করে গড়েছিলেন সম্পদের পাহাড়। ক্ষমতার জোরে সৎবোন রত্না বালা প্রজাপতির বাড়ি পর্যন্ত দখল করে নিয়েছিলেন। প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকি কারনের নামে একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট, ব্যবসাসহ সম্পদের পাহাড় গড়ার তথ্য পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কথিত আছে, অস্ট্রেলিয়া, ভারতের আগরতলা, বারাসাত, গৌহাটিতে এই দম্পত্তির নামে একাধিক বাড়ি রয়েছে। বিদেশে পাচার করেছেন অঢেল টাকা। চট্টগ্রামেও রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট ও ব্যবসা। রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট। প্রদীপ ও তার স্ত্রী-সন্তান সেখানকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। তবে দেশে থাকা তাদের সব সম্পত্তি আদালতের নির্দেশে এখন জব্দ রয়েছে।

তবে সিনহা হত্যা মামলায় প্রদীপ গ্রেপ্তার হওয়ার পর আর তার পাশে নেই কেউ। এ সময়ে পাননি স্ত্রী-সন্তানের দেখা। গ্রেপ্তারের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন স্ত্রী চুমকি কারন। প্রদীপপত্নী দেশেই কোথাও লুকিয়ে আছেন না পালিয়ে বিদেশে গেছেন তা বলতে নারাজ স্বজনরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও চুমকির অবস্থানের সঠিক কোনো তথ্য দিতে পারছে না। বিভিন্ন সূত্রের মতে, প্রদীপ কুমার গ্রেপ্তারের পর চুমকি কারন প্রথমে চট্টগ্রাম শহরের সদরঘাটে এক স্বজনের বাসায় কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর থেকে তার আর হদিস মিলছে না। অনেকে ধারণা করছেন তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধপথে ভারতে পালিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট প্রদীপ দম্পতির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। এই মামলায় এখন প্রদীপ দম্পতি বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2023
Developed BY Rafi IT